ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের আয়োজনে এমবিএ ২০ তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

অথর
স্টাফ রিপোর্টার   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১৭ এপ্রিল ২০১৯, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 140 বার
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের আয়োজনে এমবিএ ২০ তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের আয়োজনে এমবিএ ২০ তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বুধবার সকাল ১১ টায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের ২১২ নম্বর কক্ষে এ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বিদায় অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে আলোচনা ও বিদায়ী ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এবং হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ও জঁমকালো এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের সভাপতি আব্দুস শহিদ মিয়া,অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. সেলিনা নাছরিন, অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন, অধ্যাপক ড. আব্দুস ছবুর মিয়া, প্রভাষক নাজমুল হুদা, মোঃ জাফর আলী, কামাল উদ্দীন ও শারমিন সুলতানা।

ড. আব্দুস শহীদ মিয়া বলেন, আজকের এই বিদায় চিরবিদায় নয়,ক্ষণিকের বিদায়। তোমাদের মেধা, দক্ষতা ও মননশীলতা দিয়ে দেশ ও জাতির জন্য ভালো কিছু অর্জন করবে।

সেমালিয়ান শিক্ষার্থী ইব্রাহীমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তুমি তোমার দেশে গিয়ে আমাদের দেশের সংস্কৃতি, বিশ্ববিদ্যালয় ও আমাদের বিভাগ সম্পর্কে তোমার দেশকে জানাবে।
অাবেগ অার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী সুলাইমান কবির বলেন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মতো যদি অন্যান বিভাগ এমন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে অাসে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অান্তর্জাতিকীকরণের পথে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অারো একধাপ এগিয়ে যাবে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্বমূতি বিশ্বদরবারে অারো উজ্জল করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সুমাইয়া আশরারফ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চায় হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অবদান রয়েছে, অার তারই সাক্ষর বহন করে অামাদের বিভাগের অায়োজনে পিঠা উৎসব, র‍্যাগ ডে পালন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।”
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী আব্দুল আওয়াল বলেন, “প্রথম যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের পা রাখি তখন ছিলাম আমি একা। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে আজ ৫ টি বছর পার করে ফেলেছি নিজের অজান্তেই, রক্তের সম্পর্কের বাইরে তৈরি হয়েছে একটি পরিবার, AIS পরিবার। ভাবতে অবাক ই লাগে যে কিছুদিন পরে কে কোথায় থাকবে তার কোন ঠিকঠিকানা নেই। তবে সবাইকে অনেক, অনেক মিস করো। স্মৃতির ফ্রেমে সম্পর্কের অটুট থাকবে সব সময়।”

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

19 − 3 =