কোহিনূর প্রধানের কবিতা ‘কাহিনীর ছাপ

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২০ আগস্ট ২০১৯, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 163 বার
কোহিনূর প্রধানের কবিতা ‘কাহিনীর ছাপ

কাহিনীর ছাপ
………………….কোহিনূর প্রধান।

আমি যাবো তোর সাথে তুই কি আমায় নিবি বল,
অচীন দেশবিদেশে হাটবো মোরা এক সাথে চল।
পাড়াগাঁয়ে করবো লুকোচুরি,
হালুম হুলুম ভুতের ভয় সন্ধ্যা দেবে পাড়ি।

রাজ্যজয় করবে কে আমায় ছাড়া বল,
কোন সাজুগে আছে হেথায় আছে কোন বীরবল।
হাসি পায় মুখটি চেপে সব ত অকর্মা ঢেকির দল,
মুখেরতোড়ে পালায় সবি করে গাধা হাতি তল।

আমায় কি নেবে সাথে একটি বার বল,
চিন্তে করিস না সাজতে যাবোনা তোর অবিকল।
হাটির বাড়ী দেইনা আমি কথা দেই যেইখান,
শান্ত মেয়ে দেখনা আমি তাইতো ভূমিকা আমার নাম।

কতোকার করছি উদ্ধার তাকিয়ে দেখ পিছে,
চোরের মতো লুকিয়ে কেন যাস ভয়ে মুখটি চেপে।
ক্ষেপে গেলে পড়বি ধরা বুঝিসনা কি হবে,
ভালোই ভালোই নিয়ে চল আমায় সয়ে সবি রবে।

ইচ্ছেজাগা পাখির মতো উড়বো ডানা মেলে,
ভাড় দেবোনা তোকে আমি কথা দিলাম ভেবে।
দিনের আলোয় হই রাখালের বাশির সুর,
রাতে তারার আলো হই জ্যোৎস্নাময় সুদূর।

যাবো হেথা নিবি যেথা ভেবে চিনতে কই কথা,
মন টা আনচান করিচ্ছে কেন পাবি হেথায় ব্যথা।
দুয়ার কপাট খুলবে কেও ধরিবে কেও গল,
মনের আভাস হয়না মিছে আমায় সাথে নিয়ে চল।

ধরবো পাপী দেবো তাপ রোদ্রের খরার মতো,
ভাবতে পারিস আমি একাই যম অন্যায়কারীরা আছে যতো।
ভাব পেয়েছে নেইকো কেও এই ভেবেছে তারা,
মূর্খতারূপ পেয়েছে তাদের বুঝতে বাকি সারা।

মধু বলে ঢিল ছুড়েছে বিষের বেধন নাহি বুঝে,
পালাবে কোথায় বল আমারে বিষ মারিবো সেথায় খুঁজে।
লোকলজ্জায় পাইনা ভয় কে হারাবে আমার জয়,
অসৎ এর কড়ানল জেনে রাখ হয়ে যায় ক্ষয়।

আড়াল থেকে না করে বাহাদুরি সামনে আয় তুই,
দেখে যা মূর্খ তুই আছিস কোথায় আকাশ চুম্বি ছুঁই।
ভুলের ঘরে আছিস তুই বাস্তব নাহি বুঝিস,
স্বপন দেখে অট্ট হাসির মায়াজালে ভাসছিস।

ভাবতাম একা তুই যাবো তোর সাথে হাতে হাত রেখে,
ইমা তুই বড্ড বোকা চিনতে পারিসনি আমায় দেখে।
হাতটা ছেড়ে লুকালি তুই এতোদিনের মিথ্যে আবেগ ফেলে,
মন টা ভেংগে গেলি চলে নিজের স্বার্থসাধন তুলে।

কি ভেবেছিস ছেড়ে দেবো সব আমি এত বোকা নই,
ভয় পাবো আমি দেখে তোর ক্ষমতার দাপট ছই।
মাথা মোটা ঘুম পাগলা পেটুই তুই বড্ড পেচা,
মূর্খের সাগরে করছি বাস নিয়তিকে বলছিস বাচা।

হাসছিস বলে আমি গাধা পাবোনা খুঁজে আছিস যেথা,
আড়াল হাসি কষ্টদায়ক জনসম্মুখে পাস রে ব্যথা।
লুকিয়ে বেড়ায় রাতের শেয়াল গর্ত খুঁড়ে তার ঠিকানা,
তোরই মতো গর্জন তোলে আধারে করে বেহায়াপনা।

রাত বলে এজমি আমার ও জমি আমার সবি ত আমার,
ভোর হলে গর্তে লুকায় যেমনটি আছিস তুই এখন পড়ে গোয়াল খামার।
বেশি চালাকি করিস তুই ভাবিসনা কি হবে পর,
নিজেরঢোল নিজেই পিটাস রঙ্গ তামাশার ঘর।

ভাবছিস পড়ে কিছুই হবে না করতে বাধা নাইকো লীলা,
কতোজনের ফাল কেটেছি ধরতে পারেনি কেও,
এ আবার কি এলো আধার হয়ে আলোর ঢেও।
আমায় ধরা কি এতোই সোজা প্রমাণ কি রেখেছে কেও!

মহান আমি জানে সবাই আড়াল কি সেটা নয়,
আড়ালে হাসি মহাসিন্ধুর নষ্টনীড় এটা কে কয়।
ভুলে যা তোর চিন্তাজগত ভুলে যা আজ সব,
যম হয়ে এসেছি আমি করবো সব সরব।

ভাগ্যে তোর হবেনা সাথী মিলিয়ে নে কথা,
শয়তানপনা করেছিস যতো পাবি এবার ব্যথা ।
সাজা তোর হবে এবার ভেবে নে তা,
কোথায় আছিস মূর্খ ভন্ড বেড়িয়ে পর এবার।

চালাক ভাবিস নিজেকে জানিস না আড়ালে তোর মূর্খতা হাসে,
এদিক সেদিক লুকিয়ে থাকিস ধরবে তোকে কিসে।
পায়চারী করিস বটে আছিস আরামদায়ক ঘুমে,
ওহে তুই বড্ড বোকা এটাই জানিস ননা যে জেগে ঘুম দেখিস স্বপ্নে।

রাতের আধার মুখ লুকিয়ে আসতিস ঘর কড়া নাড়িয়ে,
মিথ্যুক অভিনয় ছিলো মাখা তোর আচরনে।
চোখেরজল নিয়ে মেতেছিলি ছলনায়,
ভালোবাসার জীবন তুই লিখেছিস আল্পনায়।

আল্পনার সুর গেঁথেছিস মালা প্রিয়জন এর লাগি,
সবি যে ছিলো মিথ্যে অভিনয় শরিল পাওয়ার লাগি।
প্রিয়জন ছিলাম না আমি প্রয়োজন টাই ছিলাম,
বুঝেছি তা দেরি করে যখন সবি হারালাম।

অভিনয়মঞ্চ ছিলো সেদিন বুঝিতে নাহি পারি,
এতো সুন্দর মুখটাতে কি এসব মানায় পাড়ি।
বিশ্বাস ছিলো অটুট সেদিন সন্দেহ নাহ ছিলো,
আধার মাঝেও ঝলমল করতো ভালোবাসার আলো।

বিধিনির্ভর করে সেদিন নিয়েছিলাম বুকে,
করুণ আকুলতা মায়ার ছাপ তোর ছিলো দুটি চোখে।
অশ্রুজলে সিক্তপ্রায় ছিলিস তুই সেদিন,
মরিয়া ভাসবি তুই যদি না হই তোরই অধিন।

কুলটা মন ছিলো তোর আকুলতার আড়ালে,
ভালোবাসা নয় ভোগই ছিলো তোর উদ্দেশ্য মায়ার বেড়াজালে।
ইচ্ছেজাগা পাখিশিকারি করেছিস এই ভেবে,
কে করিবে আমার বিচার কে সুধাবে জেগে।

বিধিনিয়ম ভুলে গেছিস মূর্খ তুই মানিস না বিধান,
পড়ের লাগি খাদা ফাদে নিজেই পড়ে এটাই বিধির জামান।
লুলাট করিয়া ভাগিয়া বেড়াস হয়ে সবার আড়াল,
কিছুদিন পর ভাসবি আবার কাটবে যখন সব বেড়াজাল।

চিন্তাজগত তোর এতই ছোট ভুলে গেছিস সব,
ভূমিকা রা করে কাজ লুকিয়ে নয় হয়ে কঠিন প্রকোঠ।
তোরই মতো ভেজা বেড়াল কিসের লোভ সে জানে,
সেই লোভেতেই ফেলে তোকে উচিৎ শিক্ষা দেবে বলে।

করেছিস ঢং করেছিস রঙ্গ হাযার মন নাচিয়া,
এদের শেষ করে কিভাবে যাবি তুই বাচিয়া।
সুখেরকাঁটা তুই পড়ালি করে নিজের স্বার্থ আদায়,
কি ভেবেছিস পার পেয়ে যাবে তুই বারবার করে সদাই।

জামানার ঢল দেখিস নি মূর্খ দেখিস নি তার রুপ,
নষ্টতাই করেছিস তুই পাসনি সত্তির সুখ।
একুল ধরিস ওকুল ধরিস সব কুলে যাস,
শান্তি নেই কোথাও তোর সবি জ্বালার আবাস।

মমতাহীন ওরে পথিক হাটিস কত আর,
থামবে একদিন তোর হাটা যেদিন উপায় পাবিনা আর।
সবার সাথেই করিস খেলা হৃদয় ভাংগিয়া,
তোর হৃদয় ভাঙবে সেদিন সবকিছু যাবে যখন হারাইয়া।

আকাম কুকাম করে বেড়াস নিজের মুখ ঢেকে,
লুকিয়ে আছিস ধরা পড়ার ভয়ে আছিস সব রেখে।
এ যাতনা টেনে নিয়েছিস তুই নষ্ট চিন্তার বলে,
কেনই বা আজ পালিয়ে বেড়াবি জনতারি ঢলে।

নিজের কাঠে আগুন দিয়েছিস নিজেই নাহি বুঝিস,
অন্যঘর জ্বালিয়ে তুই অনেক সুখ করেছিস।
পথের জুতা পথেই মানায় ভুলে গেছিস সেটা,
আজকে তোর বেহাল দশা নিজেই নিজের কাটা।

এহেন পরিণাম হবে একদিন ভুলে গিয়েছিলি তা,
পড়ের গায়ে কাটা ধরাতি হাসতিস দেখে তার ঘা।
ইচ্ছেমত সুখ নিয়েছিস মনের জ্বালা মিটিয়ে,
ছুরে ফেলতে তাদের যার দিতো সব ভালোবেসে।

আজ কেন লুকিয়ে আছিস ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে,
সাহস থাকলে বীরের মতো আয়না বেড়িয়ে।
সদারংগ ঠেলার কথা শুনিসনিতো আগে,
আজিকে দেখবি সেটা কাকে বলে কে দেবে জেগে।

বড্ড বোকা মূর্খ তুই বেচে যাবি কিছুদিন গর্তে লুকিয়ে,
চামচার দল দেবে খবর চামচা লাগিয়েছিস পিছে।
আমি কি এতোই বোকা নিজের হাড়ি দেবো বাড়ী,
গোপন খবর দেবো তাদের চামচার হাতে ছাড়ি।

বোকার রাজ্যপাটে করছিস বাস মাথা মোটা তুই,
শরিল বড় হলে কি আর বুদ্ধি বিদ্ধান পাড়ে ছুঁই।
কি করেছিস কিইবা করিস জানার প্রয়োজন নেই,
অপরাধী তুই এখন শাস্তি পাবে এই।

আধার গায়ে চামড়া জরিয়ে কি রহিবে বল,
চামড়া কি আর বাচাবে তোকে বাচাবে শক্তিবল।
একে ধরিস ওকে বলিস বাজে মেয়ের পাল্লায় পড়েছিস,
এতো সোনার মায়ের টোকরা তুই বাজেতে কেন এসেছিস।

নিজেকে নিয়ে বিচার করার যোগ্যতা কি আর আছে তোর,
বাজে যায়গায় কেন আসবি নিজে যদি ভালোই হস।
এ ভালোনা ও ভালো না ভালোই শুধু নিজে তুই,
ভালোর জায়গায় না গিয়ে তুই বাজে জায়গায় কেন শুইস।

সবি ভালো সবাই ভালো বাজে তুই নিজে,
স্বভাব তোর বাজে রে ভাই জন্মের সুত্র ধরে।
ঘরে পাপের ফল রয়েছে দেখিস নি সেটা তাকিয়ে,
পড়ের ঘরে মারিস উকি বদনাম রটিয়ে।

চরিত্রদোষ আছে তোদের মিছে মুখের বুলি,
হাযার দোষ চেপে যাস অন্যের মাথায় দেস তুলি।
ধরিবে জানিস রুই কাতলা পুটি ছোট নাহি ছুবি,
ধান্ধার তালে চলবি ঘুরে বখাটের আড়ালে।

ধরা পড়েছিস তাই বলেছিস দোষি নাহি নিজে তুই,
প্রলোভনপ্রাপ্ত হয়েছিলি বিপদগ্রস্ত এখন তুই।
বাচাও আমায় অপরাধী নই বলিয়া বেড়াস,
হাযার প্রমাণ বিরুদ্ধতা তোর কেন লোক হাসাস।

তুই এমন করবে জানি তাই বোকা নই আমি,
একে একে তোর সব প্রমানি তোলে রেখেছিলাম সেদিনি।
মিচকা ভণ্ড মূর্খ শয়তান অপরাধী তুই,
কতজনের ভাগ কেড়েছিস বলবি সবই তুই।

শিক্ষার্জন করেছিস ঠিকই অপরাধের শিক্ষা সেটা,
ধ্বংস লীলাময় ছিলো শুধু ছিলো না সততা।
অসৎ নাড়াই পালাতি তুই সততাকে করে ভয়,
ভুলে গেছিস অসৎ একদিন ধ্বংস হবে সৎ হবে জয়।

দোষ চাপাচ্ছিস অন্যের কাধে নিজে দোষী হয়ে,
সবাই তোকে দেবে ছাড়ি সব অবিচার সয়ে।
মুর্খের ঘরে আছিস পড়ে বুঝিস নাই এখনো,
কোথায় তুই পড়বি ধরা ভেবেছিস কি কখনো।

আমি ভালো আমি তেজী আমি মায়াবতী,
সুখেদুঃখে পাশে রই সবার নিভিয়ে অন্যায় এর ভাতি।
তোকে ছাড়বো ভাবলি কি করে অন্ধকূপ এর ছাল,
আইনের হাতে দেবো তোকে থাকিস যতোই ঝাল।

পিছে ভেজে লাভ নেই তোর সামনে পাড়লে আয়,
বুকের পাটা আছে কি তোর আছে সেই জ্বালায়।
বহুরূপ দেখিয়েছিস তুই বহু অবলা জনেরে,
আয়না এখন সামনে তুই দেখি একটু কোথাকার তুই যাধুরে।

পাড়িস লড়তে অবলার সাথে মিছে কান্না কেটে,
আমার সাথে এসে দেখ না তোর মায়া কান্না যায় কোথাতে।
বোকা ছিলাম না সেদিন বিশ্বাস ছিলো মনে,
তাই কি তোকে ছেড়ে দেবো ভাবলি কি কারনে ।

ভাসতাম ভালো একসময় যখন ছিলাম ঘুরে,
প্রতারণার ফাদ বিছিয়েছিলি যেনেছি যেদিন সুরে।
মাটিচাপা দিয়েছি সেদিন অগাধ মায়ার বাস ,
আজিকে আমি আছি জেগে তোর কুলটার হবে প্রকাশ।

নরমজল পেয়েছিলি তুই ভাবিয়া নাহি পাস,
যা পেরেছিস নিয়েছিস লুটে তোকে কে করিবে গ্রাস।
কাহার সাধ্যি আছে ধরে তোকে বাজাবে বীণ,
তোর মনে যা ছিলো আদৌ কে সুধাবে সে ঋণ।

তুই কি ভাবিস তুই ই রাজা কে দেবে তোরই সাজা,
মূর্খ তুই রয়েই গেলি মূর্খ নয় প্রজা।
নিজেই নিজের করিস ক্ষতি নিজেরঢোল পিটাস বলি,
কাহার সাধ্যি আছে ওরে আয়না আমার সামনে বুলি।

জনতাদল দেখেছিস কখনো স্বপন বা বাস্তবে,
রামধোলাই কেমন লাগে জিজ্ঞেস করিস ত বাহুবলে।
কেমন ওদের আচারবিচার কেমন ওদের সুর,
কোথায় আছিস পড়ে তুই কোন স সুমুদ্দুর।

কোথায় আছে কালরাত্রি কোথায় বাস শুভরাত্রির,
কোথায় আছে এহেন সুরের মাথায় হাত দিবারাত্রি।
কোন গগনতল পাড়ার বলে কোথায় যাবি হেথা,
নিজের লালসা জ্বিব টা মেলে কোথায় যাবি সেথা।

ময়ূরপঙ্খি নায়ের তালে যাবি নেচে বাদরের দল,
ময়ূরকণ্ঠী কি আদৌ নেবে তোদের যাচাই করে বল।
জাগো জাগো কুকর্মসাধন এটাই তোদের বাহুডোর,
এই ডোরে পাবি কি সাধ্য সৎ রাজ্যপাট এর শাসন।

লুকানো বেড়া লুকানো নেশা সিক্তকরণ তুই,
বেড়ুতে পারবিনা কখনওই যেথায় আছিস শুই।
নিয়মনিষ্ঠ পালনকারী নস ওরে বোকা,
সততার বল আছে যাদের দিতে থাকিস তাদের ধোকা।

আলোর অভাবে আধারস্থ তুই এভাবেই থাকবি চিরদীন,
আধার পচে মরবি তুই জ্বলিয়া মিছের অধিন।
পাপের পাপী মূর্খ তুই আলো নাহি চিনিস,
আলোর মাঝেও রাখলে তোকে আধারি খুঁজিস।

চেনা সুর পাবি কোথায় সবাই তোর মত নয় পাপী,
কাধিয়া বেড়াবি যখন তুই সবকিছু হারাবি।
সময় হয়নি আজ বলে কি তাই পাড় পেয়ে যাবি,
এহেন চিন্তা করেও নেই লাভ সময় হলেই বুঝবি।

আমি সুর আমি গান ছিলাম কোনদিন,
মায়ার বলে ভাসিতাম ভালো আজকের নয় দিন।
কোনদিন ছিলো সেদিন যেদিন তোর ব্যথায় হতাম ব্যথিত,
এখন সেটা মিছের সুর মনে হয় মিছে স্বপন কথিত।

পাপ করেছিস সাজা পাবি কার হাতে সেটা ভিন্ন,
আমি না দেই অন্যে দেবে করে সকল মায়া ছিন্ন।
আগন্তুক খেলা খেলেছিস তুই অসহায়দের সাথে,
মনে প্রাণে জাগাতি বিশ্বাস ছলনারি তালে।

ভূমি ভূমির কথা বলবে হাযার ও ভূমির হয়ে,
তোর মতো অপরাধী কে ধরার শাস্তি ন্যায়ে।
পাপিষ্ঠ অধম তুই লুকিয়ে আছিস পড়ে,
কোথায় যাবে দৌড়ে তুই পালাবি কি সেজে।

সংকট মহি যাবে দেখা তোরই চারপাশ,
কোথায় আছে তোরই সাথের কুলটা আশপাশ।
যারা তোকে সেভ করিত কোথায় আজ তারা,
যাদের সাহসে সাহসী ছিলি ঈন্ধন যোগাতো যারা।

সুখের দিনে সব পাশে রয় বিপদে নয় বোকা,
সেদিন বুঝবি যেদিন তুই বিপদে রবি একা।
আজকের তাল হবেনা সেদিন তোরই ঢাল,
ভাবছিস যাদের সম্মুখে থাকবি চিরকাল।

সবাই তোকে লাঠে উঠাবে নামাবেনা কেহ,
যাদের সায় হচ্ছিস তুই আজ এত বড় কেহ।
আপনারে করেছিস পড় আপন নাহি চিনিস,
পরের জন্য দিবানিশি দিবানিদ্রায় জ্বলিস।

এহেন জ্বলা জ্বলিই কেবল দিনের পর দিন,
সাধুচরিত্র হবেনা তোর হবেনা কোনদিন।
প্রতারণার ছাদনাতলা আছিস তুই ঘিরে,
তারই মাঝে ফেলিস তুই হাযার নাড়ী কে।

যৌবনের ক্ষুধাতুর তুই পিপাসা নাহি মিটে,
কিসের জন্যি করিস এসব তাও নাহি বুঝে।
অকালপক্ব অকালজাত তোরই মাঝে আছে বেচে,
নিরুপায় নিরুপদ্রব তুই আছিস সং সেঝে।

ভাবনাহীনতা করে কাজ তোরই মাঝে সুরাসুর,
সুরারঞ্জিত করেনা তোকে আলোর প্রকোঠ সুখ।
কাহাকে বলিবে তুই সেদিন যেদিন পড়িবে একা,
কোথায় খুঁজে পাবি তাদের ঠকিয়েছিলি কোথায় পাবে তাদের দেখা।

নিরবকাশ হয়ে কেন খুঁজে বেড়াবি তাদের,
সময়ের কাল ধরে কেন ঠকাস এদের।
ভালোর তালে ভেসে বেড়া আড়াল হয়ে কেন,
প্রকাশিত সুখ খুঁজে পাবিনা কোথাও কোন।

আজিকে তোর ক্রন্দনরোল দেখিবেনা কেহ,
যেথায় ছিলি পড়ে সেথায় আর ফিরে পারবিওনা যেতে।
খোয়াশার বলে অভিনয়ের ছলে কতই না বাজাতি তাদের,
মনে কি পড়ে নাকি রে অধম আজ তাদের।

কেবল ঘুমের ঘোর কাটাতে পারতি যদি তুই,
আয়নায় দেখিতি কার মতো আছিস তুই।
এখন ত লুকিয়ে আছিস হয়ে অবিচোর,
কাহার ঘরে উকি মারছিস নতুন করে ডোর।

কত কথা ছিলো মনে হবো দুজন আনমনে,
ভেংগে বিশ্বাস করলি খালি বুকের কপাট ক্ষনে।
এহেন রুপের রুপি তুই ভাবিস না রে মূর্খ,
পাড় পেয়ে যাবি এসব করে পাবি সুখের স্বর্গ।

ঘুরে ফিরে না পাই দেখা আকুল নেই মনে,
শাস্তি তোকে দেবই আমি হোকনা ঝর ঘর উঠানে।
বাধা দেবে কে আমায় সত্যের পক্ষে লড়তে লড়াই,
কাহার সাধ্যি আছে এমন আসুক আমার সামনে ভাই।

নিরব ব্যথা পায় প্রকাশ অশ্রুসিক্ত জলে,
কে করিবে কাহার সাধ্যি কাহার আছে বলে,
কাহার জন্যি থামবো আমি অপরাধীর লাগি,
এমন দুঃসাহস আছে কার লড়ুক আসি জাগি।

ভয় পেয়েছি ভয় দেখিয়েছিস এহেন মূর্খতারূপ নই আমি,
ন্যায়ের পথে করতে যুদ্ধ আমি একলা সবল রাজি।
একাই পাড়ি চলতে আমি বিধাতার ভয় রেখে,
বিধাতা ছাড়া পাইনা ভয় কাওকে এই জমানাতে।

সমুদ্রঝড় পাড়ি দিতে ভয়ে নাহি কাপে বুক,
নেশা এক্টাই কেড়ে নেবো অপরাধীর সুখ।
ঘুমের তালে স্বপন নাহি দেখে চোখ,
তোদের জালেমত্ব করিবো শেষ এটাই হবে প্রতিশোধ।

কি করিবে আমার ক্ষতি ডরে নাহি আমি কাপি,
দেখিয়াছি নীলাভ্রতার ছোওয়া দেখিয়াছি সবি।
শুনেছি হিংস্র গর্জন কতোটা ভয়নক হতে পারে,
আর কি শুধাইবো তোদের বলতে পারিস মোরে ।

আমি দেখেছি বুকফাটা রক্তাক্ত হৃদয় টা,
যেথায় রয়েছে পবিত্র মায়ার পবিত্র ছায়াটা।
আমি দেখেছি কিভাবে সময়ের তালে মুখোশ পড়ে থাকা,
আর কি ভয় দেখাবে আমায় বল কমিনেরা।

নিজেকে মনে করেছিস বিশ্ববিজেতা,
বাকি সব পড়ে আছে আধামরা ছায়ানটা।
জালিমি করে পাবি পার বাধা দেবেনা কেহ তোকে,
তীরের পর মারবি তীর নিজের খুশি খেয়ালে ।

লুকিয়ে না থেকে আয় না সামনে দেখি কত বীর তুই,
অভিনয়ের মায়াজালে ফাসাতি তুই বুকে নিতিশ শুই।
কতোটা অভিনয়ের পাহাড় আছে তোর আয় বেড়িয়ে,
খনন আজ করিবো আমি লোকসমাজের সামনে।

অসৎ চরিত্রদোষ নষ্টা ব্যাক্তি অসৎ চিন্তাধারা,
ভেবেছিলি কি কেও তোকে পারিবেনা ধরতে এটাই কাম সারা।
মাটির তলে কেচো সাপ সেও জমিনে উঠে,
লুকানো মশা আসে তেরে কেও আনেনা ঢেকে।

কি ছিলো তোর কি আছে বলে কেন এমন বাহাদুর,
কিসের লোভে মরিস তুই জামানাতে পাড়িস দৌড়।ভালোবাসায় সিক্ত হওয়া সুখের পরশ নাহি বুঝিস,
শরিল ভোগের নেশায় সারাক্ষণ মেতে থাকিস।

নিজের ঘরে আছে মা, আছে বোন সেটা নাহি ভাবিস,
পরের বোনের দিকে কেন চোখ ফুটিয়ে থাকিস।
নিজের ঘরের ইজ্জৎ রাখিস ঢেকে জীবনের বিনিময়ে,
পড়ের ঘরের ইজ্জৎ নিয়ে খেলিস কেন জয় পরাজয়ে।

বিবেক মরা মনুষ্য তুই বিবেক নাহি আছে,
পরের ইজ্জৎ নাস টেনে তুই সুখের নাচ নেচে।
কেমন ধারার মনুষ্য তুই কেমন তোর বিচার,
নিজের ঘরকে রাখিস শুদ্ধ পরের ঘর মারিস পাড়।

নিজের বোনের আচল ঢেকে রাখিস তাকে বুকে,
পড়ের বোনের ইজ্জৎ নিয়ে ছুড়ে ফেলিস তাকে পথে।
নিজের মায়ের কষ্ট হবে এই না ভাবিস মনে,
পড়ের মায়ের ও মন রয়েছে ভাবিস না তা জীবনে ।

নিজের বোনের রয়েছে দাম গেয়ে বেড়াস কত সুনাম,
পড়ের বোনের ইজ্জৎ এর নেই তোর কাছে কোন দাম।
মত্ত নেশায় মাতাল হয়ে চোখের ক্ষুধা মেটাস,
পড়ের বোনকে বানাস বিলাসিতার বাস।

মনুষ্য নামে তুই কুলাঙ্গার পশু কুলটা তুই,
তোকে নিয়ে যায়না বড়াই অধম পাপী তুই।
নিজের স্বার্থসাধন লক্ষ্য নিয়ে চলিস হেটে চলে,
কাহার ঘরে মারবি উকি এটাই ভাবিস মনে।

চড়ায় চড়ে ছানার ভয়ে মাথা গুজে হাটিস,
কেওনা যেন মুখ দেখে তোর এই ভয়ে থাকিস।
পড়ের টাকায় করিস ফুরতি নিজের মোরদ নাহি,
যেথায় পড়িস ধরা তুই পালাস সেজে শাহী।

ভবকুরে পথিক তুই ভব নাহি তোর ঘর,
এঘর ওঘর থাকিস তুই পালাস আসলে ঝড়।
ছলনাময় থাকোস তুই নিজেকে ভাবিস মহান,
সব ঘরেত মালিক তুই মূর্খ তুই ই জাহান।

সরল মনে জাগাস বিশ্বাস বলে কস কথা,
সারাজীবন আমি তোমার দেবোনা কখনো তোমায় ব্যথা।
সবই তোর মুখের বুলি নয় ত হৃদয় এর গুলি,
কেমনে পাড়িস বলবি আমায় এহেন স্বার্থ সিদ্ধি গুলি।

কেমন করে পাড়িস বল করে চেহারা অবিকল নকল,
কেমন করে পাড়িস বল চোখের কোনে আনতে জল।
কিসের জন্যি করিস এমন কোন জোয়ারের ভাটায় বল,
যাহার জন্যি আছিস এমন তাহাই কি সিদ্ধি বল।

যাহার নেশায় এমন পাপী যাহার নেশায় এসব করিস,
জীবন নিয়ে করিস খেলা জীবননাশ খেলায় মাতিস।
কাহার জন্যি করিস এসব কাহার জন্য লড়িস,
মাটির তলে যাবে সব সেটা কি কখনো ভেবেছিস।

আমার সাথে করিস খেলা মিছে আভায় ভুলিয়ে,
আমি নই সে ভোলার মানুষ সেটা গেছিস ভুলিয়ে।
যাহা নিয়েছিস যাহা পেয়েছিস আমি দিয়েছি যাহা।
কড়ায়গণ্ডায় আদায় করিবো যা নিয়েছিস তাহা।

মিছেকান্না মিছেমিছি কেন করেছিস এসব,
ব্যাখ্যা দিতে পাড়বি কি পাড়বি নাকি অধম।
সব ঠিকানাই আসল নয় সেটা মানিস তুই,
কিছু ঠিকানা যে আসল হয় ভুলে গেছিস সেটা তুই।

করেছিস খেলা আমার হৃদয় নিয়ে,
নিজেকে চালাক আমাকে বোকা বানিয়ে।
নিজের ক্ষমতার করিস বড়াই,
অজানাকে তুই ভয় দেখিয়ে ।

আজিকে কোথায় তোর সেই ক্ষমতা,
কোথায় আজ পাহাড়তলির ছরকোট ছান্নতা।
কোথায় আজ হাসির বেড়া যেথায় ছিলো নকল পাড়া,
কোথায় আজ শরিল জ্বালা যেথায় ছিলো হাযার মানের নৈকট খেলা।

আজ কেন আছিস লুকিয়ে কোথায় তোর মাথারা,
যাদের ঈশারায় নাকি চলতো তোর দিনকাল সারা।
আজিকে কেন পালিয়ে বেড়াস লোকলজ্জার ভয়ে,
আগে বুঝিস্নি এমন হবে পাপের তাড়ার কলে ।

রয়েছিস লুকিয়ে বুঝাচ্ছিস আছিস ই ত সুখে,
সুখে থাকলে আয়না রে বাপু লোকসমাজের সামনে।
কেমন করে আমি হাটি, কেমন করে আমি চলি,
তুই কেন আজ পালিয়ে বেড়াস একুল ওকুল ছাড়ি।

ওহে নরাধম পাপী তুই পাপের বুঝা টান,
কতকাল করেছিস পাপ এহেন সবার মান।
মানের মান খেয়েছিস তুই আজিকে তাহা বুঝ,
আজিকে কেন কাধিস তুই তাহা ভেবে খুঁজ।

তোরই নেশায় আসক্ত তুই ছিলি বেড়াদম,
জানি কখনওই শুদ্ধ হবিনা যতই যাক শম।
নিজের গায়ে পড়া ঘা মলম দিয়ে করবি সারা,
ভালো কি হয় কখনো এসব নেশায় আসক্ত যারা।

তাহার চেয়ে শুদ্ধতা চাই বলে ছেড়ে দেবো না,
বিচার কাজ হবে শুরু তাহা মন তুমি জানোনা।
অপরাধী মুক্তি পেলে হাজার জীবন হয় শেষ,
খাচায় বাধা থাকলে সে জাতী থাকবে বেশ।

ভুল করেছিস আমায় ধরে করে নেশার খেলা,
অবলা নই আমি আছি ভূমিকার ভেলা।
সিক্ত নেশায় তুই মাতাল আমি নই তাতে,
সবকিছু রয়েছে জমা এতকিছু করেছিস যাতে।

যে হাত জানে দিতে কেড়েও নিতে পারে সে হাত,
ভুলে গেছিস নেশায় মেতে ভুলে গেছিস জাত ভাত।
ছিলে খেয়ে পালাবি শেষ এ এহেন ছিলো মনে,
এমন সাদর দেবো তোকে ভুলবিনা জীবনে।

সাদর গ্রহন সদায় সরণ করিছিলি কি,
কখনো আসিবে আজিকের সময় তা কি ভেবেছিস।
নকল ছিলো তোরই সব নকল ছিলো প্রেম,
যেথায় খুশি করতিস আকাম পড়বিনা ধরা এই ভেবে।

ধরা পড়েছিস মুখ লুকিয়েছিস জীবন পথের ন্যায়,
কি সুখ আছে বল আজ যাহা আগে করেছিলি শ্রেয়।
চোখেরজল নিয়ে মজা করিয়া বেড়াস,
নিজের ও আছে চোখ তা ভুলিয়া কেন যাস।

নিজের ও আছে হৃদয় ঘা পড়ে যদি কখনো,
সেটা যদি ভাবতিস তুই করে বেড়াতিনা এসব কখনো।
কোমলতায় আঘাত করে কেও হয়না সুখী,
আজিকের তোর নয় সেটা বিধাতার ই লিখালিখি।

মহান ত সেই হয় ভালোবাসা যাহাতে রয়,
সবি সে করে পরাজিত ভালোবাসার হয় জয়।
সে জয়ের হাতছানি মহাসাগর করে তল,
কেন সাজিস এসব ছেড়ে রঙ্গমঞ্চ নকল।

বিধাতারি লেখা তুই করিতে চাস খণ্ডন,
আরে পাপী জালিম তুই ভেবেছিস কি কখন।
মনের ঘর ভাংগা যে মসজিদ ঘর ভাংগার সমান,
মন ও মসজিদ সমান সন্মান যদি সেটা হয় সততার ইমান।

নিজের স্বার্থসাধন করিস তুই পরের ক্ষতি লীলা,
পড়ের তাপে পুড়বে ঘর তোর সেটা ভুলিস ভেলা।
মন নাহি বুঝে তোর খুশির নেশায় পড়ে,
জীবনে কি আর ঘটবে আমার এসব করে গেলে।

মন নিয়ে করে খেলা কেও পায়নি রেহাই,
কোন সাদ্ধুরের আছিস তুই পাড় পাবি করিস বড়াই।
কোন সুত্রে লিখিস এসব কার লাগি বলিস,
চরম সম্মুখে আয়না একবার দেখনা কাকে পাবি খুজিস।

আমি ত সবই বলি যাহা করি তাই,
তুই তো লুকানো সমাজের কীট করিস কেন বড়াই।
আমার মতো বীর হ আগে লড় সবার সামনে,
পালানো গল বাদ দিয়ে তুই হয়ে যা প্রকোঠে।

চামচার দল ছেড়ে তুই একা লড় নিজে,
দেখিনা কতো বুকের পাটা তোর সাহসী বীরত্ব কে।
কোন পাঠশালায় নিয়েছিস বিদ্যা কোন সেই জায়গা
বিদ্ধানের কালি হয় খাটি ধ্বংসস্তূতে ফেলায় না পা।

তোর নাকিকান্না অন্যে ভুলিবে আমি ভুলিবনা,
আমায় আমি শিখিয়েছি অন্যায়ের কাছে মাথা নতো আমি করিনা।
নিজেকে আড়াল করে নয় যুদ্ধতে প্রস্তুত,
আয়না বীরত্ব তুই সামনে এসে দেখ কে হয় ধ্বংসস্তূপ।

অকালপক্ব মূর্খ তুই অকাল নাহি বুঝস,
নাড়িকেল কে পাথর ভেবে ঝুলার মতো হাসস।
পাপী তুই যাহাই বলিস পাপ ছাড়েনি তোকে,
পাপের সাজায় তোকে খাবে এবার দেখনা কিভাবে।

এ দুয়ার ও দুয়ার ঘুরে কি আর নিজে পাবি মেলা,
শোধ দেবেনা এতোদিন যা করে এসেছিস খেলা।
যাদের নিয়ে করেছি নেশা খেলেছিস নাচিয়ে,
তাদের শোধ কি দেবেনা তুই গেছিস ভুলিয়া।

দিনের পর দিন রাতের পর রাত গহীনে গহীন,
যাদের বানিয়েছিস ভোগের সামগ্রী করে মিছে অধীন।
নরম মনে বিষ ঢালিয়া যাদের করেছিস শেষ,
কিভাবে পালিয়ে বাচবি তুই থাকবে সুখে বেশ।

সমালোচনা করে তাদের থামাবি এই আশায়,
আরে মূর্খ তুই মাতাল তুই এখনো রয়েছিস সেই নেশায়।
হুমকি ধামকির দ্বার দ্বাড়িনা আমি সেই আগুন,
নিজের কয়লায় পুড়েছি অনেক হয়েছি খাটি দিগুন।

একে ধরাস ওকে ধরাস খবর নিস কি করি আমি,
বড্ড মূর্খ এখনো তুই কি করে ভাবিস তথ্যকোষ দেব আমি।
আমার ধরা ধরবো তোকে পালানোর জায়গা খুজে নাহি পাবি,
যেমন কৌশল করেছিলি লিখেছিলি মিছে প্রেম কাহিনী।

কাহিনী হয় না স। শেষ বাকি থেকে যায় কিছু,
তোদের মতো নোংরা লোকের নেয় তারা পিছু।
তোদের লেখা কাহিনী তোদের ধ্বারাই হয় শেষ,
জীবনে যা করেছিস পাপ সেই কাহিনী তেই মানায় বেশ।

প্রতিশোধ নয় অন্যায় ও নয় হয় পাপের শাস্তি,
তোদের মতো অপরাধীরা নির্দোষ এটাই তোদের দাবী।
দাবী দিয়ে নেই কাজ কাহিনী লেখা আছে,
তোদের পাতায় লেখা তোদের নিজের হাতের ছাপে।

মূর্খতায় করেছিস বাস জ্ঞানের আলো নাহি পাস,
এটাই তোদের ভুলের জগৎ এতেই তোদের বসবাস।
সবাই তোদের করবে ক্ষমা এটাই ভেবে যাস,
কুলটা স্বভাব চালিয়ে যাস ভেবে নির্ভুলতার আবাস।

সময় হয়েছে এবার তোর পালিয়ে লাভ নেই,
কি ভেবেছিস নিজেকে তুই বীরবাহাদুর সেই।
একেকরকম পাপ করে করে যাবি তুই,
আকাশপথ উড়বি তুই আকাশ্চুম্বি ছুই।

করেছিস খেলা আমায় নিয়ে বুকে পা রেখে,
এইনা করুণ পরিণতি দেখে অবাক ছিলাম চেয়ে।
কাকে দিলাম জীবন যৌবন কাকে দিলাম সব,
আজকে সে বলে কিনা মিছে খেলা ছিলো এসব।

কেধেছি গোপনে মুছেছি চোখের জল,
শাস্তি সে ত পাবে এবার অপরাধের গেঁড়াকল।
একের পর এক সংকেতময় ছিলো তোর স্বপন,
বুঝিতে পারিস নি আদৌ সেটি স্বপন ছিলোনা ছিলো তোর যম।

কোথায় ছিলি কোথায় এলি কোথায় যাবি চলে,
ভুলে গিয়েছিস সব নোংরা নেশায় পড়ে।
নেশারঝোঁকে পড়েছিস তুই করে যাস খেলা,
এখন ভাসবি সেই সাগরে যেখানে ভাসিয়েছি আমি ভেলা।

যেখানে লিখেছিলি তোর আমার মিছে কাহিনী,
সেখানেই লিখবো আমি তোর মিছের ধ্বংসস্তুপের স্বরনী।
যেখানে বসিয়া তুই কেটেছিস আমার হৃদয় করেছিস ক্ষত,
সেথায় পাঠাবো তোকে দেখবি কতোটা হস জর্জরিত।

এ প্রেম ছিলোনা ছলনা যে ছলনায় তুই ভাসিয়েছিলি,
যে নোংরা মিছের খেলায় তুই মেতেছিলি।
ভূলে গিয়েছিলি অপরাধের বেড়াকল পায়না কখনো ছার হোক সে যতো বড়ো লাঠ,
করুণ পরিণতিতে শাস্তি পেয়ে পাবি তুই,বেচে রবে তোরই লিখা মিছে কাহিনীর নোংরা ছাপ।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *