ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা সাইফুল আলম রুহেল কে সম্মেলনে সা:সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই সিলেটবাসী

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২ ডিসেম্বর ২০১৯, ৮:১৬ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 171 বার
ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা সাইফুল আলম রুহেল কে সম্মেলনে সা:সম্পাদক হিসাবে দেখতে চাই সিলেটবাসী

সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মোঘলপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নির্ভীক মুজিব সৈনিক সায়ফুল আলম রুহেল। তার পিতা মরহুম তজমুল আলী ও মাতা ফয়জুন নেছা খানমের ৭ সন্তানের মধ্যে রুহেল হলেন ৩য়। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মরহুম তজমুল আলী ছিলেন একজন প্রকৃত বঙ্গবন্ধু অনুসারী এবং রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিত্ব। তার বড় ভাই ফয়জুল আলম রুবেল ছিলেন ৭৫ পরবর্তী সময়ে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের অন্যতম শীর্ষ নেতাও মূলত পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারায় বঙ্গবন্ধুকেই ভালোবেসেই বঙ্গবন্ধুর হাতেগড়া সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই সায়ফুল আলম রুহেলের আজকের এই অবস্থানে আসা। ৭৫ পরবর্তী সময়ে শৈশবেই হাফপ্যান্ট পরে মিছিলে যাওয়ার কারণে বড় ভাইদের ধমক খাওয়া রুহেল কৈশোরে হয়ে ওঠেন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। তার যোগ্যতা আর সাংগঠনিক দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে পরবর্তীতে তৎকালীন স্থানীয় ও জাতীয় নেতৃত্ব তাকে বেছে নেন ঐতিহ্যবাহী মদন মোহন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে।

জেল, জুলুম হামলা নির্যাতনের ভয়কে জয় করে এগিয়ে যাওয়া রুহেল এরশাদ ও খালেদা- নিজামী বিরোধী আন্দোলনে হয়েছেন একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার। তার অসাধারণ বক্তব্য শৈলী, কর্মী বান্ধবতা সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতা তাকে করে তুলে সমসাময়িকদের কাছে হিংসার পাত্র। ৮০’র দশকের শেষের দিকে গঠিত জেলা ছাত্রলীগের কমিটির অন্যতম সদস্য সায়ফুল আলম রুহেল সর্বোচ্চ যোগ্যতা তাকা সত্ত্বেও পরবর্তী সম্মেলনে হন প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের শিকার। ৯০ দশকে গঠিত আহবায়ক কমিটিতে সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে কেবল সদস্য করা হলে বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসা আর সাংগঠনিক আনুগত্যের কারণে তিনি নিঃস্বার্থ ভূমিকা অব্যাহত রাখেন। তার সততা দলীয় আনুগত্যে মুগ্ধ হয়ে তৎকালীন স্থানীয় ও জাতীয় নেতৃত¦ ৯০ দশকের শেষের দিকে তাকে দায়িত্ব দেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহবায়কের। সাদামাটা জীবন আর সবাইকে নিয়ে চলার মনমানসিকতার অধিকারী রুহেল আপন যোগ্যতায় ২০১১ সালের গঠিত সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হলে আর পিছন ফিরে থাকাতে হয় নি তাকে। অতি অল্প সময়ে সবার মন জয় করে দলীয় কর্মসূচী সভা সমাবেশের প্রাণ ভোমরা হয়ে ওঠেন সায়ফুল আলম রুহেল। সাফল্যের স্বাক্ষর রাখেন একের পর এক কর্মসূচীতে। সর্বশেষ দায়িত্ব পান বিয়ানীবাজার উপজেলার আওয়ামী লীগের সম্মেলন পরিচালনায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক প্রতিনিধি হয়ে কাজ করার। বহুধাবিভক্ত এই উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে সফল সম্মেলন ও নেতৃত্ব বের করে এনে অসাধারণ মুন্সীয়ানার পরিচয় দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন এই ত্যাগী সাবেক ছাত্রনেতা।

তাছাড়াও বিভিন্ন উপজেলায় সম্মেলন বাস্তবায়নে তিনি রেখে যাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আর তাই সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তাকে ঘিরে কর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা। অনেকেই মনে করেন অনন্য সাংগঠনিক প্রতিভার অধিকারী পদবঞ্চিত এই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হয়ে উঠতে পারেন আব্দুর রহিম এডভোকেট, এডভোকেট আবু নছর, আ ন ম শফিক, ইফতেখার হোসেন শামীম কিংবা আব্দুর জহির চৌধুরী সুফিয়ানের পরবর্তী উত্তরাধীকারী। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন কি না জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক সায়ফুল আলম রুহেল বলেন- ‘যেকোনো দায়িত্বই চ্যালেঞ্জের। আর আমার রাজনীতির অতীত বর্তমান বিবেচনায় নিলে দেখবেন শত বাধা-বিপত্তি আর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই আমি আজকের এই পর্যায়ে এসেছি। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই বা না হই জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা বাস্তবায়নে এবং পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ভূমিকা রেখে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চাই’।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *