বিচারপতি সিনহার বই, পদত্যাগ এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করার দাবি

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯:২৩ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 7327 বার
বিচারপতি সিনহার বই, পদত্যাগ এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করার দাবি

আলোচিত সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার লেখা ‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল’, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শীর্ষক  ৬১০ পৃষ্ঠার একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের ছবি সম্বলিত কাভারসহ বইটির কিছু অংশ অ্যামাজন অনলাইনে উন্মুক্ত করেছে গত রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর)।বইটিতে বাংলাদেশের সাবেক এই প্রধানপতি তার পদত্যাগ ও বিদেশে নির্বাসনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দাবি করেছেন,  ২০১৭ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের কারণে বর্তমান সরকার তাকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে। ওই রায়ের মাধ্যমে তিনি বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে যাওয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন।বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বইতে লিখেছেন, ২০১৭ সালে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে একটি ঐতিহাসিক রায় দেওয়ার পর বর্তমান সরকার আমাকে পদত্যাগে এবং নির্বাসনে যেতে বাধ্য করে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকদের সর্বসম্মত ওই রায়ে রাষ্ট্র এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রবণতা নিয়ে আমি যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছি, সেটি দেশের মানুষ ও সুশীল সমাজ ভালোভাবে গ্রহণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ভালো গুরুত্ব পায়। সরকারি বাসবভনে তাকে  সরকার গৃহবন্দি করে রেখেছিল দাবি করে সিনহা বইয়ে লিখেছেন,  যখন আমি সরকারি বাসভবনে আটক ছিলাম, কিছু আইনজীবী ও বিচারক আমাকে দেখতে এলে তাদের বাঁধা দেওয়া হয়। গণমাধ্যমকে বলা হয়, আমি অসুস্থ এবং চিকিৎসা ছুটির আবেদন করেছি। সরকারের একাধিক মন্ত্রীও আমাকে না জনিয়েই মন্তব্য করেন,  আমি চিকিৎসা ছুটিতে বিদেশ যেতে চাই। যা মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচার করা হয়।তিনি আরো লিখেছেন, ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর যখন আমাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়, ওই সময় আমি একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছিলাম,  আমি অসুস্থ নই এবং চিরতরে দেশও ত্যাগ করছি না। গণমাধ্যমে আমার ওই বিবৃতি প্রচার করা হয়নি। বইটিতে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আরো দাবি করেছেন, জোরপূর্বক বিদেশ পাঠানোর পর সরকার তার পরিবার ও স্বজনদের ভয়-ভীতি দেখানো অব্যাহত রাখে। ফলে তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং বিদেশে থাকতেই পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুত্র পূর্বপশ্চিম  https://www.amazon.com/dp/B07HDZ3KQQ/

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six − two =