রোম-মিলান-পিসা-ফ্লোরেন্স-ভেনিস ও প্যারিস পরিদর্শন আবারো ইউরোপ ঘুরে এলো বাংলা ট্যুর

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 255 বার
রোম-মিলান-পিসা-ফ্লোরেন্স-ভেনিস ও প্যারিস পরিদর্শন আবারো ইউরোপ ঘুরে এলো বাংলা ট্যুর

নিউইয়র্ক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশী পরিচালিত একমাত্র গাইডেড ট্যুর প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা ট্যুর’ গত সপ্তাহে একদল ভ্রমনার্থী সহ ইউরোপের বিভিন্ন দর্শনীয় ¯’ান ঘুরে এসেছে। গত ১৩ জানুয়ারী গ্রæপটি নিউজার্সীর লিবার্টি এয়ারপোর্ট থেকে ইতালির রাজধানী রোমের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তারা রোম, মিলান, পিসা, ফ্লোরেন্স এবং ভেনিস সহ ফ্্রান্সের প্যারিস পরিদর্শ করে ২৫ জানুয়ারী নিউইর্কে ফিরে আসে।
রোমে গ্রæপটির প্রথম দর্শনীয় তালিকায় ছিলো ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকাভুক্ত ২০০০ বছরের পুরাতন কলোসিয়াম। রোমান ¯’াপত্য এবং প্রকৌশল কর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন এবং বিশ্বের বৃহত্তম নাট্যশালাটি ঘুরে ঘুরে দেখে গ্রæপটি। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে আয়োজিত বিশ্বভোটে পৃথিবীর নতুন সপ্তম আশ্চর্যের একটি নির্বাচিত হয় রোমের এই কলোসিয়াম।
রোমে গ্রæপটির পরবর্তী দর্শনীয় ছিলো রোমান ক্যাথলিক গীর্জার সদর দপ্তর ভ্যাটিক্যান সিটি। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র দেশ এবং পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক পট পরিবর্তন ও গুরুত্বপূর্ণ সব ঘটনা প্রবাহের স্বাক্ষী। গ্রæপটি ভ্যাটিকান সিটিতে অব¯ি’তি বিশ্বের সেরা চিত্রকর্ম সমৃদ্ধ যাদুঘর, বিশ্বের সুন্দরতম ছাদ সিস্টেইন চ্যাপেল পরিদর্শন করে। এছাড়াও গ্রæপটি রোমের সবচেয়ে বড় পাবলিক প্লেস পিয়েজ্জা নাভুনা, খ্রীষ্টিয় প্রথম শতকে নির্মিত ট্রেভি ফাউন্টেইন, রোমান ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ডোম নিয়ে নির্মিত ভবন প্যানিথিয়ান পরিদর্শন করে।
গ্রæপটির পরবর্তী গন্তব্য ছিলো পিসার ঐতিহাসিক হেলানো টাওয়ার। উল্লেখ্য, রোমান ঐতিহাসিকদের নথিপত্রে পিসার উল্লেখ আছে প্রাচীন নগরী হিসেবে। ইতিহাসের ছোঁয়া এর অলিতে গলিতে। এটা একদিকে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহর, তেমনী পদার্থ বিদ্যার জনক বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর জন্ম¯’ান। গ্রæপটি পিসার নয়াভিরাম ¯’াপত্য, পিসার হেলানো টাওয়ার পরিদর্শন করে।
রোমে ফেরার পথে গ্রæপটি পরিদর্শন করে ফ্লোরেন্স লাইটিংগেলের জন্ম¯’ান ফ্লোরেন্স। সেখানে তারা ফ্লোরেন্সের প্রধান গীর্জা বেসিলিকা দুমো পরিদর্শন করে।
তৃতীয় দিন গ্রæপটি পরিদর্শন করে ভ‚মধ্য সাগরের উপক‚লবর্তী গ্রাম চিংকুয়ে টেরে। শত শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী একগু”ছ সমুদ্র উপক‚লবর্তী গ্রামকে বলা হয় চিংকুয়ে টেরে। সাগর পাড়ে উচু পাহারের ঢালে রংধনুর সাত রঙে রাঙ্গা বাড়ীগুলো একে একে নেমে এসেছে এমনভাবে যেনো পহাড়ে কেউ ছবি একেছে বলে মনে হয়।
এরপর গ্রæপটি যায় ইতালীর দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মিলান। সেখানে তারা শিল্পী লিউনার্দো দ্য ভিঞ্চির দেয়াল চিত্র দ্য লাস্ট সাপার এবং ইতালরি বিখ্যাত অপেরা ভবন লা স্কালা পরিদর্শন করে।
এরপর ইতালীতে গ্রæপটির সর্বশেষ গন্তব্য ছিলো আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব তীরে ইউরোপের সবচেয়ে ঐতিহ্যময় ভেনিস নগরী। এটিও ইউনেস্কোর একটি হেরিটেজ সাইট। শহরটিতে ১১৭টি দ্বীপ, ১৭৭টি খাল এবং ৪০৯টি সেতু রয়েছে। বিশ্ব পর্যটক মার্কো পলোর জন্ম¯’ানও এই ভেনিসে। পানির ওপর ভেসে থাকা দৃষ্টিনন্দন প্রাসাদ, গথিক ¯’াপত্য নীতিতে নির্মিত ভৌজ প্যালেস, ভেনিসীয় প্রজাতন্ত্রের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র¯’ল পিয়াজ্জা ও সানমার্কো পরিদর্শন করে।
এরপর গ্রæপটির সর্বশেষ গন্তব্য ছিলো শিল্প সাহিত্য ও ঐতিহ্যের নগরী হিসেবে খ্যাত ফ্্রান্সের প্যারিস। সেখানে তারা আইফেল টাওয়ার, প্যারিস গেট, প্রেসিডেন্টের বাসভবন এলেজি প্যালেস, লোভর মিউজিয়াম এবং পার্লামেন্ট পরিদর্শন করে ২৫ জানুয়ারী ফিরে আসে নিউইয়র্ক।
ভ্রমণ গ্রæটটির নেতৃত্বে ছিলেন বাংলা ট্যুরের সিইও হাবিব রহমান। উল্লেখ্য, বাংলা ট্যুর উত্তর আমেরিকা সহ ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিয়মিত গাইডেড ট্যুর পরিচালনা করে থাকে। যোগাযোগ: ৩৪৭-২৮০-৭২৬৯। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 + 2 =