পেটের মেদ কমাতে দুই ব্যায়াম

অথর
নিজস্ব প্রতিবেদক   বাংলাদেশ
প্রকাশিত :২৬ মে ২০১৮, ৩:৫২ অপরাহ্ণ | নিউজটি পড়া হয়েছে : 211 বার
পেটের মেদ কমাতে দুই ব্যায়াম

পেটে মেদ জমা এক বিরম্বনার বিষয়। অনেক কারণেই পেটে মেদ জমতে পারে। যেমন : সাম্প্রতিক সন্তান দান, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিরিক্ত সময় সোফায় বসে থাকা, বেশি খাবার গ্রহণের সঙ্গে কম শারীরিক পরিশ্রম ইত্যাদি। তবে যে কারণেই পেটে মেদ জমুক না কেন ব্যায়ামের ম্যাধ্যমে আপনি আপনার দেহকে ঠিক করতে পারেন। সপ্তাহে তিন কিংবা চারবার এ ধরনের ব্যায়াম করলে আপনার পেট টান টান হবে।

আজ থেকেই শুরু করুন। এ ব্যায়াম তেমন কঠিন কিছুই নয়। দিনে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিন। দেখবেন কেমন আকষর্ণীয় হয়ে ওঠেছে আপনার দেহ।

ব্যায়াম নম্বর এক

ম্যাট কিংবা কার্পেট বিছানো মেঝের ওপর শুয়ে পড়ুন। আপনার হাত দুটো আলতো করে মাথার পেছনে নিন। হাঁটু দুটো বাঁকা করুন এবং পায়ের পাতা দুটো মেঝের ওপর রাখুন। এবার আপনার পেটটাকে ব্যবহার করে ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে আপনার মাথা, দুকাঁধ ও পিঠের ওপরের অংশ তুলতে থাকুন। এ সময়ে আপনার পেটটাকে শক্ত রাখুন এবং নিশ্বাসের সঙ্গে বাতাস বের করে দিন। এভাবে কিছুক্ষণ থাকুন, তারপর আবার শুয়ে পড়ুন। ব্যায়ামটা ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

ব্যায়াম নম্বর দুই

আগের মতোই শুয়ে পড়ুন। অর্থাৎ উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটো আলতোভাবে মাথার পেছনে নিন, হাঁটু বাঁকা করুন এবং পায়ের পাতা দুটো মেঝের ওপর রাখুন। শরীরের ওপরের অংশ ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে তুলুন। এবার আপনার শরীরকে ঘোরান, আপনার বাম কাঁধকে ডান হাঁটুর দিকে রাখুন। এভাবে কিছুক্ষণ থেকে আপনার পূর্বাবস্থায় ফিরে যান। এরপর একইভাবে অন্যদিকে শরীরকে ঘোরান, ডান কাঁধকে বাম হাঁটুর দিকে নিন। ব্যায়ামটা প্রতি দিকে ১০ থেকে ১৫ বার করুন।

ভালো ফলের জন্য ধীরে চলুন

তাড়াহুড়া করবেন না। ১০০ বার এ ধরনের ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ভালো ফল লাভের জন্য ধীর নীতি মেনে চলুন। যদি ধীরে চলতে পারেন তাহলে দ্রুত আপনার পেটের মেদ কমে যাবে। কতক্ষণ ব্যায়াম করবেন? দিনে ১০ মিনিট যথেষ্ট। ছয় থেকে আট সেকেন্ড আপনি একটি ব্যায়াম সম্পূর্ণ করতে পারেন। করার সময় ধীরে ধীরে গুনতে থাকবেন যেমন এক, দুই, তিন, চার। শরীর ওঠানামার সময় এভাবে গুনবেন। তারপর আবার যখন শুয়ে পড়বেন তখন পাঁচ, ছয়, সাত, আট এভাবে গুনতে গুনতে শোবেন।

লেখক : চিকিৎসক

সংবাদটি শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।